
সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানায় ৬৬ বস্তা চোরাই ভারতীয় চা পাতা জব্দ করে এজহারে ৫০ বস্তা দেখানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক এসআইর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম আবু সাঈদ। এই ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় এলাকা এবং পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ও এজহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট রাত আনুমানিক ৩টার দিকে গোলাপগঞ্জ থানাধীন কান্দিগাঁও এলাকা থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনা ভারতীয় চা পাতার একটি বড় চালান আটক করেন এসআই আবু সাঈদ। এরপর সেখান থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে চালানটি গোলাপগঞ্জের পুরাতন থানাঘাটে এনে আনলোড (নৌকা থেকে খালাস) করা হয়। পরে একটি পিকআপ ভ্যানে করে মোট ৬৬ বস্তা চা পাতা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে অভিযোগ উঠেছে, বিপুল পরিমাণ এই চা পাতা জব্দ করার পর এসআই আবু সাঈদ উদ্ধারকৃত মালামালের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করেন। তিনি ঘটনার দিন পিকআপ ভ্যানে করে ৬৬ বস্তা চা পাতা থানায় নিয়ে গেলেও মামলার সরকারি নথিতে বা এজহারে মাত্র ৫০ বস্তা চা পাতা জব্দ দেখিয়েছেন।
ঘটনার সময় পুরাতন থানাঘাটে উপস্থিত লোকজন জানান, তারা নিজের চোখে নৌকা থেকে ৬৬ বস্তা মালামাল নামাতে এবং পিকআপে তুলতে দেখেছেন। কিন্তু পরে মামলায় ১৬ বস্তা কম দেখানোর বিষয়টি জানাজানি হলে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে— “বাকি ১৬ বস্তা চা পাতা আসলে গেল কোথায়?” চোরাকারবারিদের সুবিধা দিতে কিংবা উদ্ধারকৃত মালামাল আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে এমনটি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।
এই বিষয়ে জানতে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “৬৬ বস্তা চা পাতার মাঝে এজহারে ৫০ বস্তা দেখানোর বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো।”

Reporter Name 









